Posts

মৃত্যুর পরে কোথায় ?

নিশ্চিতভাবে জানার জন্য পাঠ করুন। আপনি যতবার কোনো মৃত ব্যক্তির মুখ দেখেছেন, ততবার হয়তো শুনতে পেয়েছেন “জীবিত অবস্থায় তিনি অনেক কষ্টভোগ করেছেন তাই এই মৃত্যুই তার জন্য এখন অনেক ভালো। এখন তিনি চিরশান্তিতে আছেন, কষ্ট চিরতরে দূর হলো, আর কখনো জগতের কষ্টভোগ করতে হবে না” প্রিয় পাঠক, ঐ ব্যক্তি মৃত্যুর পরে পরলোকে চিরশান্তি ভোগ করবেন, যদি তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় তার মন পরিবর্তন করে যীশু খ্রীষ্টকে তার প্রভু এবং মুক্তিদাতারূপে গ্রহণ করে থাকেন ও পবিত্র আত্মায় নতুন জন্মপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন তবেই তার মৃত্যুর পরে চিরশান্তির সেই স্বর্গ নিবাসী হওয়ার বিষয়টি সঠিক বিবেচনা করা যায়। সাধু পৌল যেমন খ্রীষ্টিয়ানদের বলেছেন যে, “. . . আমরা সর্বদা সাহস করিতেছি, জানি যে, যত দিন আমরা এই দেহে নিবাস করিতেছি, আমরা প্রভু হইতে দূরে প্রবাস করিতেছি; (কেননা আমরা বিশ্বাস দ্বারা চলি, বাহ্য দৃশ্য দ্বারা নয়) আমি বলি, আমরা সাহস করিতেছি, আর দেহ হইতে দূরে প্রবাস ও প্রভুর নিকট উপস্থিত হওয়া অধিক বাঞ্ছনীয় জ্ঞান করিতেছি” ২করিন্থীয় ৫:৬-৮ পদ। সেই মৃত ব্যক্তিটি যদি অনাত্মিকতায় অর্থাৎ ঈশ্বরের সঙ্গে সম্পর্কবিহীন, পাপে লিপ্ত অবস্থায় মারা গিয়...

ধর্ম কোনটি সঠিক

Image
আমরা জানি এ পৃথিবীতে মোশি এসেছিলেন, যীশু এসেছিলেন, এছাড়াও আরো অনেক নবিদের কথা জানি যারা এসেছেলেন, আবার জানা যায় অনেক পয়গম্বর ও গুরুদের কথা। এদের প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট কোনো বাণী ছিল, তাদের প্রচার ছিল। যেমন বলা যায় যে মোশির প্রচারের বিষয়বস্তু ছিল সেই দশটি বিশেষ আজ্ঞা যা ঈশ্বর দিয়েছিলেন ইস্রায়েল সন্তানদের শিক্ষা দিতে যেন তারা সেসব আজ্ঞা পালনে বাধ্য থেকে ঈশ্বরের সান্নিধ্যে আসতে পারে। মোশি কিন্তু পরবর্তীতে তাঁরই মতনই আর একজন অতি মহাপুরুষ উদয় হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। তার এই পূর্বাভাসকে আপনি সেই মহাযাজক বলেন আর মহানবী-ই বলেন, তিনি সরাসরি সেই যীশুকেই উল্লেখ করেছিলেন। যীশু পৃথিবীতে এসে মোশির সেই কথার অর্থপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, . .  “তোমরা শুনেছ এই কথা বলা হয়েছে, ‘ব্যভিচার কোরো না।’ কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, যে কেউ কোনো স্ত্রীলোকের দিকে কামনার চোখে (লালসার চোখে, কুনজরে) তাকায় সে তখনই মনে মনে তার সংগে ব্যভিচার করল।” তিনি বলেছেন, আমরা যদি ভাইয়ের উপর রাগ করি, আমরা বিচারের দায়ে পড়ব। তিনি আরো বলেছেন যে, . .  “লোকে যত অনর্থক কথা বলে, বিচারের দিনে তার প্রত্যেকটির কথার হিসাব দিতে ...

জ্বলন্ত নরক . . প্রচণ্ড উত্তাপ, দগদগে আগুন, এক ফোঁটা জল সেখানে পড়ে না। হারানো প্রাণগুলো অনন্তকালের জন্য সেখানে যন্ত্রণা পাচ্ছে।

Image
জ্বলন্ত নরক (Burning Hell), প্রচণ্ড উত্তাপ, দগদগে আগুন, এক ফোঁটা জল সেখানে পড়ে না।  হারানো প্রাণগুলো অনন্তকালের জন্য সেখানে যন্ত্রণা পাচ্ছে। যীশু খ্রীষ্ট জ্বলন্ত নরকে বিশ্বাস করতেন আর সে কারণে তিনি পিতার বক্ষঃস্থল ত্যাগ করে এই বিষাদময় ও দুঃখকষ্টের পৃথিবীতে এসেছিলেন।   তিনি স্বর্ণময় রাস্তা ত্যাগ করে আর প্রতিনিয়ত দূতগণের দ্বারা গৌরবান্বিত হওয়া থেকে এ পৃথিবীতে ক্রুশে হত হবার জন্য এসেছিলেন, যেন আমরা জ্বলন্ত নরকে গমন থেকে উদ্ধার পাই। নিজেকে একবার জিজ্ঞাসা করি, আমি কি স্বর্গে যাচ্ছি, না কি নরকে? অনেক ভালো ভালো লোকেরাও কিন্তু . . নরকে যাচ্ছে। অনেক নীতিবান লোকেরাও কিন্তু . . নরকে যাচ্ছে। অনেকে উচুতলার লোকেরাও কিন্তু . . নরকে যাচ্ছে। অনেক ভদ্র স্বভাবের লোকেরাও কিন্তু . . নরকে যাচ্ছে। অনেক বংশীয় লোকেরাও কিন্তু . . নরকে যাচ্ছে। অনেক নেতারও কিন্তু . . নরকে যাচ্ছে। অনেক ধর্মীয় নেতারা ও গুরুরাও কিন্তু . . নরকে যাচ্ছে। কারণ এদের অনেকেই অনেকেই শয়তানের দ্বারা পরিচালিত। শয়তানই তাদের গুরু বা দেবতা। শয়তান তাদের নাটের গুরু। প্রশ্ন করতে পারেন যে, . .  কীভাবে এতো এতো নামকরা লোকেরা, ভালো ভ...

আমাদের কার কাছে পাপ স্বীকার করা উচিত? To whom should we confess?

Image
আপনি স্মরণ করে দেখুন যে শিষ্যেরা যখন যীশুকে তাদের প্রার্থনা করতে শিক্ষা দিতে অনুরোধ করেছিলেন, তখন তিনি বলতে শুরু করেছিলেন,  মথি ৬:৯-১৪ পদ “অতএব তোমরা এই মত প্রার্থনা করিও, “হে আমাদের স্বগর্স্থ পিতঃ . . .”   যীশু তাদের শিক্ষা দিয়েছেন আর এই শিষ্যদের মাধ্যমে আমাদেরও শিক্ষা দেবার জন্য শিক্ষা দিয়েছিলেন, যে আমাদের প্রার্থনা সরাসরি পিতা ঈশ্বরকে উদ্দেশ্য করেই উৎসর্গ করতে হবে। এই প্রার্থনাতে আমাদের পিতার প্রতি পিতার মুখোমুখি হওয়া। যীশু আরও বলতে থাকলেন . . মথি ৬:১২ পদ আর আমাদের অপরাধ সকল ক্ষমা কর, যেমন আমরাও আপন আপন অপরাধীদিগকে ক্ষমা করিয়াছি  ”  আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্ট তিনি নিজেই পিতা ঈশ্বরের কাছে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রার্থনা উৎসর্গ করতে শিক্ষা দিয়েছেন আর আমাদের জন্য তাঁর ক্ষমা পাবার অনুরোধ করতে আমাদেরও শিক্ষা দিয়েছেন। লূক ১১:৪ পদে বিষয়টা এভাবে প্রকাশ করেছেন, “আর আমাদের পাপ সকল ক্ষমা কর; কেননা আমরাও আপনাদের প্রত্যেক অপরাধীকে ক্ষমা করি” আমরা সরাসরি পিতা ঈশ্বরের কাছে আমাদের পাপ স্বীকার করি আর সেজন্য আমরা মানুষের গতানুগতিক ইচ্ছানুযায়ী অন্যরকমভাবে করতে চাইনা, শুধু যেভাবে যীশু...

রেভারেন্ড (Reverend) কখনো মানুষের খেতাব নয়, যা একমাত্র ঈশ্বরেরই!!

Image
এই নাম বা খেতাব শুধু ঈশ্বরেরই, কোনো মানুষের নয় আজ যদি কেউ বাইবেল অনুযায়ী সঠিকভাবে চলার চেষ্টা করেন তিনি নানা রকম বাধা-বিপত্তি এমনকি দুঃখ-কষ্টের সম্মুখীন হতে পারেন বলে ধরা যায়। পুরাতন শয়তান যাকে কিনা এ জগতের দেবতা বলা হয়, সে আজ বহু ব্যাপ্টিস্ট পালক ও প্রচারকদের তার নমুনানুযায়ী চালানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, আর তার সুবিধা মতো সেরকম একটা পরিস্থিতিতে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রভু তাঁর আদর্শানুুযায়ী সমস্ত কিছুতে সঠিকভাবে তাঁর মান স্থাপন করে গেছেন যা আমাদের সকলের খ্রীষ্টিয় জীবনযাপনে একটি সঠিক মান ও আদর্শ। কিন্তু পুরাতন শয়তানের মতো অবস্থা প্রায় অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়। শয়তান তার মতো হওয়ার জন্য প্রত্যেকের উপর চেষ্টা চালায়। আর তার মতো গড়া ঐরকম অনেকের চরিত্রগত মান দেখতে খুব উপযুক্ত মনে হয়, আর মনে হয় তারা আসলেই সঠিক। আর এভাবে শয়তান তাদের আত্মিক অসারতায় ঘুম পাড়িয়ে রাখতে এখনো পর্যন্ত সক্ষম, আর সে এ কাজে ব্যস্ত সারাক্ষণ। এখনো পর্যন্ত আমরা ঐ শয়তানের গড়া ব্যক্তির মতো হয়ে চলছি আর চিন্তা করছি আমরা যীশুর আদেশে সঙ্কীর্ণ ও দুর্গম পথে চলছি। কিন্তু আমরা যখন বাইবেলের আদর্শ অনুযায়ী চলতে ব্যর্থ হই আমরা প্রকা...

সহজ সরলভাবে ‍উদ্ধারের, পরিত্রাণের ব্যাখ্যাটা কী?

Image
আনন্দ এবং মঙ্গল দুইজন ঘনিষ্ট বন্ধু। আনন্দ প্রতি রোববার গির্জায় আরাধনার পরে মঙ্গলের কাছে যায়। তারা দুইজনে ধর্ম এবং ঈশ্বর সম্পর্কে আলোচনা করে। মঙ্গল খ্রীষ্টিয়ান নয়, কিন্তু সে সত্যের খোঁজে খুব আগ্রহে বাইবেল অধ্যায়ণ করে। একদিন মঙ্গল আনন্দকে জিজ্ঞাসা করলো, “কিছু কিছু খ্রীষ্টিয়ান বন্ধু আমাকে বলছে যে - তুমি যদি যীশু খ্রীষ্টকে বিশ্বাস কর তুমি উদ্ধার পাবে, পরিত্রাণ পাবে। এই পরিত্রাণটা কী, এর অর্থ কী?” আনন্দ উত্তর দিল, “তোমাকে বোঝাবার জন্য একটা কথা বলি। সাঁতার না জানা একটা লোক জলে পড়ে ডুবে মারা যাচ্ছে। কিন্তু জলে ডোবা লোকটাকে উদ্ধার করতে সাঁতার জানা একজন সাহায্যকারী জলে ঝাঁপ দিয়ে তার কাছে এসে তার জীবন রক্ষা করেন। লোকটা প্রায় মরার মতো ছিল। জলে ডোবা লোকটার কী হলো, সে কী পেল?” মঙ্গল উত্তর দিল, “সে উদ্ধার পেল অর্থাৎ রক্ষা পেল”। আনন্দ বলল্, লোকটা যেভাবে জলে ডুবে মরতে যাচ্ছিল ঠিক সেভাবে একজন পাপের সাগরে ডুবে মরতে যাচ্ছে। এমন কেউ কি আছেন যিনি পাপে ডুবে থাকা থেকে আমাদের পরিত্রাণ করতে পারেন? আমি তোমাকে এই রকম পাপে ডুবে থাকা অবস্থা থেকে উদ্ধারের জন্য কোনো রকম সাহায্য করতে পারি না, কারণ আমি নিজেও...

ঈশ্বর কেন মানুষ সৃষ্টি করেছেন?

ঈশ্বর যখন আপনাকে সৃষ্টি করেছেন তখন তাঁর বোধ, চিন্তা, জ্ঞান, উপলব্ধি ও অনুভূতিতে আপনি আর সাধারণ নন্, আপনি তাঁর সর্বোত্তম সৃষ্টি। সুতরাং আপনার জীবনের উদ্দেশ্য কী? কী অর্জন আপনার এই জীবনে? জীবনের লক্ষ্য ও অর্থ অনুসন্ধানের জন্য মানুষ আজ আধুনিক জীবন যাপনের চাপ ও সমস্যায় অস্থির। জীবনটা অবশ্যই আশা-ভরসা, সুনাম ও আনন্দে পরিপূর্ণ হওয়া উচিত; কিন্তু এর পরিবর্তে অধিকাংশ মানুষকে দেখা যায় ব্যক্তিগত সমস্যা, ভয়, আশঙ্কা ও ভবিষ্যৎ চিন্তায় বন্দি। আর এই বন্দিত্ব থেকে মুক্তির চিন্তায় মানুষ আজ অস্থির, তাই মুক্তির জন্য মানুষকে করতে হয় অনেক রকম পরিকল্পনা। তবুও অস্থিরতা। মানুষের তৈরি সুখের পথে কোনো স্বস্তি নেই, কোনো সান্ত্বনা নেই। এর কারণ একটাই যে, অনেকেই জানেন না জীবনের উদ্দেশ্য কী? ঈশ্বর মহান স্রষ্টা তাঁরই ক্ষমতায় জগতের সবকিছুই সৃষ্টি করেছেন, তিনিই এই বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা। ঈশ্বরের ইচ্ছানুযায়ী তাঁর গৌরব ও প্রশংসার লক্ষ্যে তাঁরই সাদৃশ্যে ও প্রতিমূর্তিতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। পবিত্র বাইবেল বলে, “ঈশ্বর আপনার প্রতিমূর্তিতে (অনুরূপ মত) মানুষকে সৃষ্টি করিলেন; ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতেই তাহাকে সৃ...