Posts

যুবক-যুবতীরা কেন চার্চ বিমুখ?

Image
 এই লেখাটা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যুবক-যুবতীরা কেন চার্চ বিমুখ? এ ক্ষেত্রে চার্চের করণীয়: আজ খ্রীষ্টিয়ান যুবক-যুবতীরা চার্চে আসতে চায় না, তারা চার্চ বিমুখ, চার্চের উন্নয়নমূলক কোনো কাজে তাদের আগ্রহ নেই, তারা মাণ্ডলিক যেকোনা কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখতে চাচ্ছে। কেন তাদের এই অনিহা? এর ফলে কি খ্রীষ্টিয়ান সমাজে কোনো প্রভাব পড়তেছে? এর প্রভাবে তাদের উপর আবার বহু প্রকার কু-প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। পত্রিকা খুললে দেখা যায় খ্রীষ্টিয়ান যুব সমাজ মদকতায় আসক্ত, নিজের ধর্ম বিশ্বাস বিসর্জন দিয়ে অন্য ধর্মের ছেলেকে কিংবা মেয়েকে নিজেদের মতো করে কিংবা পালিয়ে বিয়ে করছে। চুরি, করছে, খুন করছে, আরো কতনা খারাপ কাজ করছে। কিছু কিছু যুবক যুবতীদের সাপ্তাহিক চার্চে আসার জন্য ডাকা হলে এমন ভাব করে, মনে হয় তাদেরকে কোনো খারাপ কাজে ডাকা হচ্ছে, এতে তারা একদম বিরক্ত। কেন তারা চার্চ বিমুখ, কেন তাদের এই অনিহা? তাদের এই অনিহা খ্রীষ্টিয়ান সমাজপতিরা কি তা নিয়ে ভাবছেন? এর প্রতিকারের জন্য কি কোনো পদক্ষেপ নিতেছেন? এর জন্য কি পিতা-মাতা দায়ী? সব দায়ভার কি পরিবারের, চার্চের কি কিছু করার নেই?     একজন যুবক-...

এই হলেন আমার রাজা

Image
“এই হলেন আমার রাজা” Dr. S.M Lockridge এর  যীশু খ্রীষ্ট সম্পর্কে চমৎকার বর্ণনা। অনুবাদ : নথনিয়েল হাজরা আমার রাজা, রাজা হয়েই জন্মেছেন।  বাইবেল বলে . .  তিনি সপ্ত দিক থেকে রাজা। তিনি-ই যিহূদীদের রাজা - জাতীগতভাবে তিনি রাজা। তিনি-ই ইস্রায়েলের রাজা - জাতীয়ভাবে তিনি রাজা। তিনি ধার্মিকতার রাজা। তিনি যুগ যুগান্তের রাজা। তিনি স্বর্গের রাজা। তিনি গৌরবান্বিত রাজা। তিনি রাজাদের রাজা এবং প্রভুদের প্রভু।  এই হলেন . . আমার রাজা। বেশ, আমি অবাক হবো . . যদি আপনি তাঁকে চিনে থাকেন? আপনি কি তাঁকে চেনেন? আমাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবেন না। আপনি কী আমার রাজাকে চেনেন?  দায়ুদ বলেছেন “আকাশমণ্ডল ঈশ্বরের গৌরব বর্ণনা করে, বিতান তাঁহার হস্তকৃত কর্ম জ্ঞাপন করে”।   আমার রাজা একজনই যাঁর সীমাহীন ভালোবাসার পরিমাপের কোনো উপায় নেই যে ব্যাখ্যা করা যায়। দূরবীন দিয়ে তাঁর যোগান, তাঁর সম্ভার কুলের একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত দেখা যায় না। কোনো বাধায় তাঁর অঝোরে ঝরিত আশির্বাদ বিঘ্নিত হয় না।  তিনি অক্ষয় বলবান। তিনি সম্পূর্ণ সৎ ও আন্তরিক। তিনি চিরন্তন, অবিরাম ও আদি-অন্তহীন একই। তিনি অবিনশ্বর, নিত্য...

পরিত্রাণ কি ঈশ্বর আপনাকে সরাসরি দিয়েছেন?

পরিত্রাণ কি ঈশ্বর আপনাকে সরাসরি দিয়েছেন? না!! নতুন জন্ম হওয়া কি ঈশ্বর আপনাকে সরাসরি দিয়েছেন? না!! অনন্ত জীবন কি ঈশ্বর আপনাকে সরাসরি দিয়েছেন? না!! ঈশ্বরের সন্তান হওয়ার যোগ্যতা কি ঈশ্বর আপনাকে সরাসরি দিয়েছেন? না!! জীবনপুস্তককে নাম লেখানো কি ঈশ্বর আপনাকে সরাসরি দিয়েছেন? না! তাহলে ?? হ্যা, পিতা ঈশ্বর এর সবকিছুই আপনার জন্যই বরাধ্য করেছেন। এসব তিনি অন্য কোনো গুরুকে দেননি আপনাকে দেবার জন্য। পিতা ঈশ্বর এর সবকিছুই দিয়েছেন তাঁর একমাত্র পুত্র যীশু খ্রীষ্টকে আপনাকে দেওয়ার জন্য। যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমেই এসব আশির্বাদ ও পাওনা আপনার জন্য। এসবের পরিচয় এর অভিজ্ঞতা অন্যেরা জানতে ও বুঝতে পারে না যারা প্রভু যীশুকে বিশ্বাস করেনি ও তাঁকে তার নিজের মুক্তিদাতা ও প্রভু বলে গ্রহণ করেননি। এর সবকিছুর কথা পবিত্র ঈশ্বরের বাক্য বাইবেলে রয়েছে, অন্য কোনো গ্রন্থে নয়। এর সবকিছুর প্রচার একমাত্র যীশু খ্রীষ্টের বিশ্বাসীরা করেন অন্য কেউ নয়, কারণ অন্যেরা এসব বুঝতে পারেন না তাই। যীশু বলেলেন . . “আমিই পথ ও সত্য ও জীবন; আমা দিয়া না আসিলে কেহ পিতার নিকটে আইসে না” যোহন ১৪:৬ পদ। “কারণ ঈশ্বর জগৎকে এমন প্রেম করিলেন যে, আপনার এক জাত প...

সামাজিক যোগাযোগে, আড্ডায় কিছু কিছু খ্রীষ্টিয়ানদের আচরণ?

Image
নিঃসন্দেহে একটা দৃষ্টান্ত দিয়ে একটা কথা বলতে হয় যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকের এলোমেলো পোস্ট, লাইক, কথাবার্তা, বিরূপ মন্তব্য, এমনকি সামনাসামনি আড্ডায় তাদের কথাবার্তায় একটুতে তর্কে জড়িয়ে যাওয়ায়, তাদের হাবভাব আচারণে তাদের অনেকের অপবিত্র জীবনযাপনের অবস্থায় অবাক হতে হয়, অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে হয়, বিব্রত হতে হয়, এমনকি তাদের জন্য সমস্যায়ও পড়তে হয় অনেক।  আর এটা নিশ্চিত যে তাদের কারণে আমাদের এই সমাজে প্রকৃত খ্রীষ্টের অনুসারীদের বহু কষ্টে আর যন্ত্রনায় জবাব দিহিতায় থাকতে হয়। এ ধরণের অস্বভাবিক আচরণে বিভিন্ন সমস্যায় থাকা অনেকেই তাদের খ্রীষ্টিয়ান বলে পরিচয় দিয়ে আসছেন, কারণ তারা তাদের সুযোগ ও মর্জি অনুযায়ী গির্জায় যান, প্রার্থনা সভাসমিতিতে যোগ দেন, কিন্তু তাদের কথাবার্তা, চিন্তা মনোভাব, ধরনধারণে দেখা যাচ্ছে যে এখনও পর্যন্ত বদলাতে পারেনি। তাদের নিজেদের পাপ ক্ষমার জন্য নিজেদের পরিচালিত করার জন্য তারা কখনও খ্রীষ্টকে তাদের হৃদয়ে প্রভু বলে স্থান দেননি, একজন নতুন মানুষ হতে কখনও চেষ্টা করেনি (২ করিন্থীয় ৫:১৭ পদ)। এভাবে তারা তাদের ইচ্ছাতেই চলছেন তো চলছেন, পাপই করে আসছে এবং অখাদ্যকুখাদ্য গ্রহণ, জঘণ্য ...

আজ মা দিবস, মা অনন্য এক অনুভূতির নাম। Mother is the name of a unique feeling.

Image
মাতৃত্বেই নারীর পূর্ণতা। আজ মে মাসের দ্বিতীয় রোববার , আজ বিশ্ব মা - দিবস,  মায়েদের জন্য বিশেষ দিন। মা দিবস হলো পরিবার থেকে বা নিজের থেকে মাকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি মাতৃত্ব, মাতৃত্বের বন্ধন এবং সমাজে মায়েদের যে প্রভাব তা জানানোর একটি বিশেষ দিন। যদিও মাকে ভালোবাসা - শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কোনো দিনক্ষণ ঠিক করে হয় না , তবুও মাকে গভীর মমতায় মনে করার বিশ্ব মা দিবস আজ , সেটা প্রতীকী হলেও। মা অনন্য এক অনুভূতির নাম,  মা একটি সুমিষ্ট শব্দ। মায়েদেরকে অবশ্যই তাদেরকে স্বীকৃতি দিতে হয়, মায়েদের প্রশংসা করতে হয় , যারা নিঃস্বার্থভাবে তাদের সন্তানদের যত্ন   নিয়েছেন , উন্নত করেছেন আপনাকে আমাকে। মা আপনাকে দশ দশটি মাস ধরে গর্ভে ধারণ করেছেন। মা আপনাকে এ জগতের বুকে নিয়ে আসতে তাকে মৃত্যুদ্বারা পর্যন্ত যেতে হয়েছিল। যেখানে একজন মানুষ সর্বোচ্চ ৪৫ ডেল ব্যথা সহ্য করতে পারে , সেখানে মা আপনার জন্মের সময় ৫৭ ডেল ব্যথা সহ্য করেন, কিন্তু সন্তানের প্রতি মায়ের যে আবেগ , যে মমতা তা পরিমাপের সাধ্য নেই ক...

কাথলিক কিংবা প্রোটেস্ট্যান্ট হয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারেন, তাতে খ্রীষ্টিয়ান হয়ে জন্মগ্রহণ করাটা নয়।

Image
কাথলিক কিংবা প্রোটেস্ট্যান্ট হয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারেন , . . তাতে খ্রীষ্টিয়ান হয়ে জন্মগ্রহণ করাটা নয়। খ্রীষ্টিয়ান হতে . . অবশ্যই নতুন জন্ম হতে হয়। খ্রীষ্টিয়ান হতে . . অবশ্যই পরিত্রাণপ্রাপ্ত হতে হয়। খ্রীষ্টিয়ান হতে . . অবশ্যই খ্রীষ্টের শিষ্য হতে হয়। খ্রীষ্টিয়ান হতে . . অবশ্যই ঈশ্বরের সন্তান হতে হয়। কোনো মণ্ডলীর পরিচয়ে  . .  পরিত্রাণের সাক্ষ্য নয়। কোনো মণ্ডলীর পরিচয়ে  . .  খ্রীষ্টিয়ান বলা নয়। পরিত্রাণ হয় যীশু খ্রীষ্টতে। একমাত্র প্রভু যীশু খ্রীষ্টেতে পরিত্রাণে . . ঈশ্বরের সংগে সম্পর্ক শুরু হয়। পবিত্র শাস্ত্রে লেখা আছে যে , যতজন ঈশ্বরের বাক্য - সেই যীশু খ্রীষ্টকে বিশ্বাস করেন, তাঁকে প্রভু বলে গ্রহণ করেন তাদের প্রত্যেককে তিনি ঈশ্বরের সন্তান হবার অধিকার দেন। যীশু খ্রীষ্ট নিজেও বলেছেন যে , তিনিই সেই পথ , সেই সত্য পথ আর তিনিই জীবন। তাঁর মধ্য দিয়ে না প্রবেশ করলে কেউই ঈশ্বরের সানিদ্ধ লাভ করতে পারেন না। যীশুর এক শিষ্য বলেছেন যে . . . . এ জগতে এমন অন্য কেউ নাই , . ...

সেলিব্রেটির মৃত্যু !!

যখন আমরা শুনে থাকি যে কেউ মৃত্যুবরণ করেছেন, তখন আমরা অনেকেই বলে থাকি . .  RIP - Rest in peace. তিনি শান্তিতে বিশ্রাম করুন, তার আত্মার শান্তি কামনা করি, তার মঙ্গল কামনা করি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তিনি যতই ধনী হয়ে থাকুক না কেন, যতই বিখ্যাত হয়ে থাকুক না কেন, . . আমাদের হৃদয় মনে একটি প্রশ্ন জেগে উঠে -  . . তিনি কি প্রভু যীশু খ্রীষ্টকে তাঁর একমাত্র মুক্তিদাতা এবং প্রভু বলে গ্রহণ করেছিলেন? জগতে অনেককেই কোনো - না - কোনো কৃতিত্বে , যশ ও খ্যাতিতে একেবারে “ গ্রেটেস্ট / মহান ” হয়েছেন , “ শ্রেষ্ঠ ” হয়েছেন জগতের লোকদের কাছে। তারা নিজেরাও "I Am The Greatest" বলতে গর্বিত। আবার এদের মৃত্যুতেও ফলাও করে প্রচার করা হয় ‘ কিংবদন্তির মহাপ্রয়াণ ’ The passing of a legend. এক সময় আমি নিজেও এরকম অনেক সেলিব্রেটিদের অর্থাৎ সিনেমার নায়কনায়িকা আর গায়কদের দেখে এছাড়াও অনেকের কথা শুনে তাদের ভক্ত ছিলাম , তাদের প্রশংসা করতাম , ছবি টাঙ্গিয়ে রাখতাম ঘরের দেয়ালে। এখন বুঝতে পারি তারা অনেকেই খ্রীষ্টবিশ্বাস থেকে পথভ্রষ্ট , সত্যের মর্যাদা দেননি , এমনকি ...