Posts

শুধু কি ধর্ম পরিচয়েই “খ্রীস্টিয়ান”? আর কোনো কিছুতে নয় ??

শুধু কি ধর্ম পরিচয়েই “খ্রীস্টিয়ান”? আর কোনো কিছুতে নয় ?? বিষয়টি চিন্তার !! বিষয়টা আমাদের প্রত্যেকের জন্য একটা চ্যালেঞ্জস্বরূপ। কারণ আজকাল খ্রীস্টিয়ান কথাটা বলতে গেল একেবারে শিথিল হয়ে গিয়েছে, এর গুরুত্ব একেবারে হাল্কা হয়ে যাচ্ছে, মনে হয় খ্রীস্টিয়ান কথাটার তেমন আমল দেওয়া হচ্ছে না, এর গুরুত্ব নেই। আমার “হাজরা” গুষ্ঠির একজন সন্তান, তার আর “হাজরা” পদবী/গুষ্ঠি” পরিচয় দিতে ভালো লাগে না, তার কাছে এটা “চারাল” তাই এটা বদলাতে চায়। আপনি দেখুন আপনার গুষ্ঠি/পদবী পরিচয়ের কথা, সন্তানদের কাছে যেন সেকেলে। পূর্বপুরুষদের থেকে চলে আসা গুষ্টি/পদবী পরিচয় আপনার সন্তানেরা হয়তো পছন্দ আর না-ও করতে পারে। কারণ এসব গুষ্ঠি/পদবীর পেছনে একটা কারণ থাকে, পূর্ব পুরুষদের পেশাগত কারণে, দক্ষতার কারণে, আর অনেকটা এসব উপাধিও বটে। পরম শ্রদ্ধেয় পূর্ব পুরুষেরা এসব পরিচয় মেনে নিয়েছিলেন, গ্রহণও করেছিলেন কারণ তারা তা-ই আর তা তাদের জন্য এসব সম্মানের পরিচয়। যদিও আমরা আর তাদের সেসব পেশায়/দক্ষতায় এখন আর নই। যাহোক আমি এসব নিয়ে কথা বলতে চাই না। তবে আমার কথা হলো যে অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় একটি পরিচয় দেবার জন্য খ্রীস্টিয়ান শব্দটা কাজে লাগানো ...

ঈশ্বরের অনুগ্রহই যথেষ্ট

যুগ যুগ ধরেই খ্রীষ্ট বিশ্বাসীরা কোনো-না কোনো অস্থিরতায়, দুশ্চিন্তায় থাকেন, ঠিক যেমন সাধু পৌলের “মাংসে একটি কণ্টক (কাটার মতো একটা দুর্বলতা)”। আমি জানি না যে কী ধরণের দুর্বলতা ব্যাধি এই শ্রদ্ধেয় সাধু ব্যক্তির দেহে ছিল যা তাকে সারাক্ষণ কষ্ট দিত। তবে এখন বুঝতে পারি, খ্রীষ্ট বিশ্বাসীরা পৌলের মতো সেরকমই কোনো এক ধরণের দুর্বলতার অভিজ্ঞতায় আছেন যা অনেকেই সহ্য করে দিন কাটাচ্ছে। যেমন কমন ব্যাধি - বুহমুত্র, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বির পরিমান বেড়ে যাওয়া। আমাদের বয়সের সাথে সাথে সবারই এর কোনো না কোনো একটাতে আছেন, কিংবা এর সবকটার সঙ্গে আছি। সব সময় চেক করে চলতে হয়। মনে করে অসুধ খেতে হয়, কারণ ওসব বেড়ে গেলে মুসকিল। আমার এক আত্মিয় জানালেন, মানুষেরা ঐ তিনটি ব্যাধির তিনটি অষুধের কারণে টিকে থাকে। যাহোক, এসব এছাড়াও আরো অনেক ধরণের প্রচণ্ড কষ্ট নিয়ে আপনাকে কীসে আর কীভাবে ঈশ্বরের দিক চালিত করে? কী এমন আছে আপনার আর কোন্ শক্তিতে আপনি সত্য বলে মেনে নেবেন, স্বীকার করবেন যে আপনি দুর্বল আর ঈশ্বরের শক্তি, ক্ষমতার গুণে আপনি অবশ্যই তাঁর উপর নির্ভর করবেন? এমন কোনো কিছু কি আছে যাতে এ অবস্থায় আপনাকে ঈশ্বরের দিকে ধাবিত ...

বিশ্ব পরিসংখ্যানে খ্রীষ্টিয়ানরা সবচেয়ে বেশী হলেও, যীশু খ্রীষ্টের পরিসংখ্যানে সবচেয়ে কম (Matthew 22:14)

Image
বিশ্বের পরিসংখ্যানে খ্রীষ্টিয়ানরা   সবচেয়ে বেশী হলেও , যীশু খ্রীষ্টের পরিসংখ্যানে সবচেয়ে কম। আপনার নিশ্চয় মনে আছে যীশুর কথা . . “ কারণ অনেকেই আহূত কিন্তু অল্পই মনোনীত ” প্রত্যেকেই কি খ্রীষ্টিয়ান ? যদি কোনো খ্রীষ্টিয়ান পাড়ায় গিয়ে অত্যন্ত ২০ জনকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে তারা খ্রীষ্টিয়ান কি না। কোনো দেরি না করে, কারো দিকে না তাকিয়ে এককথায় বলে ফেলবেন - তারা খ্রীষ্টিয়ান।   তাদেরকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে কেন বা কী এমন কারণ যে তারা খ্রীষ্টিয়ান। এ ধরণের প্রশ্ন করায় তাদের উত্তর হবে ভিন্ন ভিন্ন ধরণের যেমন , . .  “ আমি জন্মসূত্রে খ্রীষ্টিয়ান , আমি কয়েক পুরুষে খ্রীষ্টিয়ান , আমি অন্যদের মতো কনর্ভাট খ্রীষ্টিয়ান নই , আমি খ্রীষ্টধর্মে দীক্ষিত হয়েছি , আমি বাপ্তাইজিত , আমি কম্যূনিয়ন অর্থাৎ খ্রীষ্টপ্রসাদ / প্রভুর ভোজে অংশগ্রহণ করি , উপবাস থাকি , আমি পাদ্রী - পুরোহিতদের কাছে পাপ স্বীকার করি ,  আমি খ্রীষ্টিয়তত্ত্ব নিয়ে পড়াশুনা করেছি , আমি মণ্ডলীর একজন সদস্য , আমি মণ্ডলীকে সমর্...

মানব ইতিহাসে কে প্রথম রক্ত দান করেছেন?

Image
আমি সত্যিই গর্বিত যে আমার ছেলে মাঝে মাঝে রক্ত দানে কারোর প্রাণে বাঁচার সুযোগ করে দিয়েছে। তার নিজের রক্তদানে অনেকের জীবন রক্ষা হয়েছে। আমাদের এই আধুনিক জগতে রক্তদান করা হলো নিজের ইচ্ছাতে , আর এতে খুব সামান্যই কষ্ট হয়। রক্ত দান, রক্ত দাতার জন্য সম্মানের। রক্তদানকারী পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন একটি বিছানায় শুয়ে থাকেন , আর তখন নার্স পরিষ্কার জীবানুমুক্ত সুই ফুঁটিয়ে রক্ত সংগ্রহ করেন। ২০০০ বছরেও আগে যীশু যখন তাঁর রক্ত দিয়েছিলেন , তখন তিনি কোনো নরম তুলতুলে বিছানা কিংবা পরিষ্কার জীবানুমুক্ত কোনো সুই পাবার সুয়োগ পাননি। কোনো ডাক্তার বা নার্স তাঁর কাছে ছিল না। কীভাবে তাঁকে রক্ত দিতে হয়েছিল ? রোমীয় সৈন্যেরা যীশু খ্রীষ্টের দু ’ হাতে আর দু ’ পায়ে হাতুরি পিটিয়ে বড় বড় ( গজাল ) পেরেক ফুঁটিয়ে দেহটিকে দু ’ টি   জোড়া   দেওয়া কাষ্ঠে ক্রুশে দেয়। সেটা রক্তদানের  কোনো বিছানা ছিল না। এরপর সৈন্যরা ক্রুশবিদ্ধ যীশুকে উচুঁ করে স্জোরে মাটিতে ধপাস করে পুতে দিল। যীশু প্র...